যখন গৃহহীন-বেকার ছিলাম, তখন যুক্তরাষ্ট্রই আমাকে বাড়ি-চাকরি দিয়েছে: মোমেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আমা’র কিছু ঋণ আছে। কারণ আমি যখন গৃহহীন, বেকার এবং রাষ্ট্রহীন ছিলাম, তখন যুক্তরাষ্ট্রই আমাকে একটি বাড়ি এবং একটি চাকরি দিয়েছে। আমি এর জন্য কৃতজ্ঞ। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দ’প্তরের ওয়েবসাইটে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের ওই বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে।

রোহিঙ্গা নি’পী’ড়নকে গণহ’ত্যা হিসেবে ঘোষণা করায় যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমা’দের খারাপ সময়ে

এবং আমা’দের ভালো সময়ে যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই বাংলাদেশের বন্ধু ছিল। আমর’া একটি উজ্জ্বল ভবি’ষ্যতের জন্য উন্মুখ হয়ে আছি।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের মহান অংশীদার ও বন্ধু উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয়েছে জ্বা’লানি খাতে। হয়তো এর বাইরে তাকানোর সময় এসেছে।

তিনি আরও বলেন, গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ সত্যিই অনেক অর্জন করেছে। আমর’া একটি তলাবিহীন ঝুড়ি হিসাবে পরিচিত ছিলাম। কিন্তু এখন আমা’দের একটি প্রাণবন্ত অর্থনীতি, সুযোগের দেশ হিসেবে পরিচিতি হয়েছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রশংসা করে মা’র্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লি’ঙ্কেন বলেন, দক্ষিণ এশিয়াতে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে। আগ্রহ প্রকাশ করেন আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সব ফোরামে এক সাথে কাজ করার।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আমা’র কিছু ঋণ আছে। কারণ আমি যখন গৃহহীন, বেকার এবং

রাষ্ট্রহীন ছিলাম, তখন যুক্তরাষ্ট্রই আমাকে একটি বাড়ি এবং একটি চাকরি দিয়েছে। আমি এর জন্য কৃতজ্ঞ। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দ’প্তরের ওয়েবসাইটে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের ওই বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে।

রোহিঙ্গা নি’পী’ড়নকে গণহ’ত্যা হিসেবে ঘোষণা করায় যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,

আমা’দের খারাপ সময়ে এবং আমা’দের ভালো সময়ে যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই বাংলাদেশের বন্ধু ছিল। আমর’া একটি উজ্জ্বল ভবি’ষ্যতের জন্য উন্মুখ হয়ে আছি।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের মহান অংশীদার ও বন্ধু উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয়েছে জ্বা’লানি খাতে। হয়তো এর বাইরে তাকানোর সময় এসেছে।

তিনি আরও বলেন, গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ সত্যিই অনেক অর্জন করেছে। আমর’া একটি তলাবিহীন ঝুড়ি হিসাবে পরিচিত ছিলাম।

কিন্তু এখন আমা’দের একটি প্রাণবন্ত অর্থনীতি, সুযোগের দেশ হিসেবে পরিচিতি হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রশংসা করে মা’র্কিন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লি’ঙ্কেন বলেন, দক্ষিণ এশিয়াতে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে। আগ্রহ প্রকাশ করেন আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সব ফোরামে এক সাথে কাজ করার।

[X]