free hit counter

চোখ ওঠার কারণ কী?

বর্তমানে চোখ ওঠার সমস্যায় অনেকেই ভুগছেন। ভাইরাসজনিত এ সংক্রমণে আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যাও বাড়ছে। চিকিৎসার পরিভাষায় একে গো’লাপি চোখ (পিংক আইজ) বা কনজাংটিভাইটিস বলা হয়।

এ ক্ষেত্রে চোখে চুলকানি, চোখ দিয়ে পানি পড়া, ব্যথা, লালচে ভাব ও ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। গো’লাপি চোখ বা

কনজাংটিভাইটিস হলো চোখের স্বচ্ছ ঝিল্লির (কনজাংটিভা) একটি প্রদাহ বা সংক্রমণ। এই ঝিল্লিই চোখের পাতার মাধ্যমে সাদা অংশকে ঢেকে রাখে।

যখন কনজাংটিভায় ছোট র’ক্তনালিগু’লো ফুলে যায়, তখন সেগু’লো আরও দৃশ্যমান হয়। এ কারণেই চোখের সাদা অংশ লাল বা গো’লাপি

দেখায়। গো’লাপি চোখ সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাল সংক্রমণ, অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ার কারণে দেখা দেয়। চোখ ওঠার সমস্যা যন্ত্রণাদায়ক হয় ও এটি দৃষ্টিকেও প্রভাবিত করে। শিশু ও প্রা’প্তবয়স্ক উভয়ের ক্ষেত্রেই গো’লাপি চোখের কারণে কর্নিয়ায় প্রদাহের সৃষ্টি করে, যা দৃষ্টিকে প্রভাবিত করতে পারে।

চোখ ওঠার কারণ কী কী? >> ভাইরাস >> ব্যাকটেরিয়া >> অ্যালার্জি >> চোখে রাসায়নিকের প্রবেশ >> চোখে কোনো বস্তু ঢুকলে। ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া কনজাংটিভাইটিস

পিংক আইজের অন্যতম কারণ হলো ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ। এটি অ্যাডেনোভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট হয়, তবে হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস, ভেরিসেলা-জোস্টার ভাইরাস ও করো’নাভাইরাসের কারণেও ’হতে পারে।

ভাইরাল ও ব্যাকটেরিয়াল কনজাংটিভাইটিস উভয়ই সর্দি বা শ্বা’সযন্ত্রের সংক্রমণের লক্ষণগু’লোর সাথে প্রকাশ পায়। আবার যারা কন্টাক্ট লেন্স পরেন ও সঠিকভাবে পরিষ্কার না করেন; তাদের ব্যাকটেরিয়াল কনজাংটিভাইটিস ’হতে পারে।

উভয় প্রকারই খুব সংক্রা’মক। এগু’লো সংক্রমিত ব্যক্তির চোখ থেকে নিঃসৃত তরলের স’ঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এক বা উভয় চোখই এতে প্রভাবিত ’হতে পারে।

তবে চোখ ওঠার সমস্যা চিকিৎসকের পরামর’্শ মেনে চোখের অস্বস্তি কমাতে পারবেন। কারণ চোখ ওঠার সমস্যাটি সংক্রা’মক ’হতে পারে, প্রাথমিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার মাধ্যমে দ্রুত এর থেকে মিলবে সুস্থতা।