গো’পন স’মস্যার প্রতিরোধে কিসমিস, উপকারিতা সম্পর্কে জানলে অ’বাক হয়ে যাবেন

অতি পরিচিত, প্রিয় একটি উপাদান, যা পায়েস থেকে কেক, সব কিছুতে একটু না দিলে মনে হয় কী যেন নেই। অনেক উপকারিতা রয়েছে ছোট ছোট কিসমিসের দানাতে।কিসমিস হচ্ছে রোদে বা

ড্রায়ারে শোকানো আঙুর। রঙ সোনালী কিংবা গাঢ় বাদামী। কিসমিস যেমন নানা ধরনের সুখাদ্যে রান্নার সময়ে দেয়া হয়,তেমনি হেলথ টনিক

বলুন বা হাই এনার্জি ফুড সা’প্লিমেন্ট হিসেবেও খাওয়া হয়ে থাকে। শুকনো বলে কিসমিস-এর ফাইবারগু’’লোও শুকিয়ে থাকে।ফলে জলের মধ্যে পড়লে সেগু’’লি ফুলে ওঠে। এটা পেটের ভেতরে বাকি

খাবারের সাথে গেলে পেটের স্বাভাবিক ফ্লুইডগু’’লিকে টেনে নিয়ে ফুলে ওঠে এবং খাবার পাকস্থলী থেকে নিচে নামতে সাহায্য করে,ফলে

কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যায় যারা ভোগেন তারা নিয়মিত কিসমিস খেতে পারেন। কিসমিসে যে ফাইবার থাকে সেটা জলে গলে না, তাই এটাকে ইনসলিউবল ফাইবার বলা হয়। সেই জন্যই কিসমিস জল

টেনে ফুলে ওঠে।একইভাবে, ডা’য়েরি’য়া সমস্যাতেও কিসমিস সাহায্য করে, কারণ স্টুলের অতিরিক্ত জল শুষে নেয় কিসমিস, ফলে বারবার

বেগ পাওয়াটা আ’টকে দেয়। সবড্রায়েড ফ্রুট যেমন খেজুর কাজুবাদাম ইত্যাদির মতই, কিসমিস ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। কারণ এতে আছে প্রচুর ফ্রুক্টোজ এবং গ্লুকোজ এবং পোটেনশিয়াল এনার্জিতে ভরপুর এই কিসমিস।বডিবিল্ডার বা এথলেটদের ক্ষেত্রে কিসমিস খেতে বলা হয় কারণ তাদের প্রচুর এনার্জি লাগে বা ওজন বাড়ানোর জন্য ক্ষ’তিকর কোলেস্টেরল

এড়িয়ে কিসমিস খেলে সুস্থ ভাবে ওজন বাড়তেও সাহায্য পাওয়া যায়। কিসমিসে আছে ভিটামিনস, অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং সেলেনিয়াম এবং ফসফরাসের মত মিনারেল,যেগু’’লি প্রোটিন এবং অন্যান্য নিউট্রিয়েন্টগু’’লিকে শোষিত ‘’হতে সাহায্য করে। এছাড়াও কিসমিস অন্যান্য খাবার থেকে প্রা’’প্ত ভিটামিন, প্রোটিন শরীরে শু’ষে নিতেও সাহায্য করে, ফলে সার্বিক এনার্জির মাত্রা বৃ’’দ্ধি পায় এবং শরীরের ইমিউন

সিস্টেমকে আরো শক্তিশালী করে তোলে।সে”ক্সু’য়াল সম’স্যা প্রতিরোধ: কিসমিসকে বহুদিন থেকেই লিবিডো ব’র্ধনকারী হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আর্জিনিন যা পাওয়া যায় কিসমিসে, তা স্পা’র্মের চলাচলে সাহায্য করে, যেটি গ’র্ভধারণে সাহায্য করে। ভারতীয় বিয়েতে বৌভাতের দিনে বর বধূকে গরম দুধে কিসমিস এবং কেশর দিয়ে খাওয়ানোটা প্রাচীন রীতি। যাদের যৌ’’” ন সহনশীলতা কম, তাদেরকেও রেগু’’লার কিসমিস খেতে

পরামর’’্শ দেয়া হয়।তবে অধিক পরিমাণে কিসমিস খেলে সমস্যা ‘’হতে পারে, তাই অবশ্যই ডাক্তারের পরামর’’্শ নিয়ে খাবেন, বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস আছে, তারা। কারণ ফ্রুক্টোজ বা গ্লুকোজ ডায়াবেটিস-এর রোগীর জন্য মা’রাত্ম’ক ‘’হতে পারে। কিসমিস ছোট হলেও উপকারিতা অনেক।