free hit counter

যে চার কারণে মে’য়েরা স্বা’মীকে স’ন্দেহ করে

দাম্পত্য জীবন সুখময় হয়ে ওঠে স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সম্মান ও সহমর’্মিতার ওপর নির্ভর করে। একে অ’পরের প্রতি বিশ্বা’স, ভালোবাসা ও সহানুভূ’তি যত গভীর হয়, দুজনের বন্ধনটাও যেন তত

দৃঢ় ’হতে থাকে। আর যখনই এই সম্পর্কে বিশ্বা’স ও ভালোবাসার বদলে অনুপ্রবেশ করে অবিশ্বা’স ও সন্দে’হ, তখনই দুজনের মধ্যে বাড়তে থাকে

দূরত্ব। যার ফলাফল দাম্পত্য কলহ, নি’র্যাতন এবং অবশেষে পারিবারিক ভাঙন। অধিকাংশ দাম্পত্য কলহের সূত্রপাত হয় স্বামী-স্ত্রীর একে অ’পরের প্রতি সন্দে’হ থেকেই। তবে সন্দে’হ করে

বলেই একটি সম্পর্ক ভে’ঙ্গে দিতে হবে এটা কিন্তু সমাধান না। বরং সম্পর্ক টিকে রাখার উপায় বের করতে হবে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক নিজেকে স্ত্রীর সন্দে’হ দূর করতে যা করবেন সে সম্পর্কে-

নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা কমে যাওয়া-আপনার দাম্পত্য জীবনের কয়েক মাস হোক বা বহু বছর, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাবার্তা হওয়া দরকার। কোনো সমস্যা হলে নিজেদের মধ্যে বি’ষয়টি মিটিয়ে নেয়া ভালো। ব্যস্ততার কারণে পুরুষরা যদি স্ত্রীর স’ঙ্গে কম কথা বলে, তাহলে সম্পর্ক নষ্ট ’হতে বাধ্য।

মেয়েদের স’ঙ্গে বন্ধুত্ব
বন্ধুত্ব হলো এমন একটি সম্পর্ক যা বিয়ের পরও টিকে থাকে, সাধারণত একজন পুরুষ যখন কোনো নারী বন্ধুর স’ঙ্গে কথা বলে, তখন প্রায়ই তার স্ত্রী ঈর্ষা বোধ করতে শুরু করে, যার কারণে মা’রামা’রি বেড়ে যায়। এর জন্য এটা প্রয়োজন যে স্বামী তার স্ত্রীকে আশ্বস্ত করে যে সে তার জন্য যে কোনো বন্ধুর চেয়ে বেশি।

সারাক্ষণ মোবাইলে লেগে থাকা
প্রত্যেক স্ত্রীই চায় তার স্বামী বাড়িতে এলে তার স’ঙ্গে কথা বলুক এবং তাকে মানসম্পন্ন সময় দেবে, কিন্তু অনেক পুরুষই মোবাইলের প্রতি তাদের সংযুক্তি ত্যাগ করতে এবং এই গ্যাজেটের স’ঙ্গে লেগে থাকতে পারে না। পুরুষরা যদি মোবাইল দেখে বেশি হাসেন, তাহলে স্ত্রীর সন্দে’হ বহুগু’ণ বেড়ে যায়। সেজন্য ফোনের চেয়ে জীবনস’ঙ্গীর স’ঙ্গে বেশি সময় কা’টানো ভালো।

প্রাক্তনের সম্পর্কে কথা বলা
যদিও বিয়ের আগে আপনার অনেক সম্পর্ক ছিল, কিন্তু বিয়ের ক্ষেত্রে যে কোনো পুরুষের জন্য সবচেয়ে গু’রুত্বপূর্ণ ব্যক্তিটি হওয়া উচিত তার স্ত্রী। ভালো হয় যখনই আপনি স্ত্রীর স’ঙ্গে বসবেন, আপনার প্রাক্তন প্রেমিকার সম্পর্কে কথা বলবেন না, অন্যথায় স্ত্রী অনুভব করবে যে আপনি এখনও তাকে মিস করছেন এবং এটি ভুলে যাওয়া কঠিন। নারীর মনে সন্দে’হ সৃষ্টির এটি একটি বড় কারণ।