free hit counter

পু’রুষের যেসব গুণাবলী আ’কৃষ্ট করে না’রীদের

প্রতিটি নারীই চান তার জীবনে একজন রাজকুমা’র আসে। সেই পছন্দের মানুষটির মনে জায়গা পেতে চেষ্টারও ত্রুটি থাকে না। একসময়ে সুদর্শন ও স্বাস্থ্যবান পুরুষের প্রতি নারীরা বেশি দুর্বল

হলেও বর্তমান সময়ে নারীদের পছন্দে বেশ পরিবর্তন এসেছে। আধুনিক যুগের নারীরা স’ঙ্গী হিসেবে দায়িত্ববান, মানসিকভাবে পরিপক্ব এবং

সহানুভূ’তিশীল পুরুষকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। সেই স’ঙ্গে পুরুষটির মধ্যে থাকতে হবে রোমান্টিকতা এবং আবেগের জায়গাও। পাশাপাশি পুরুষদের মধ্যে হাস্যরস, আ’ত্মবিশ্বা’স, বু’দ্ধিমত্তার

মতো গু’ণাবলীও খুঁজে থাকেন নারীরা। তবে পুরুষদের কিছু কিছু গু’ণাবলী নারীরা দারুণভাবে মুগ্ধ হন। বিবাহবহির্ভূ’ত ডেটিং অ্যাপ গ্লিডেনের

তথ্যমতে, পুরুষদের নিম্নের বি’ষয়গু’লোয় নারীরা বিশেষভাবে আকৃষ্ট হন- নেতৃত্ব এবং আ’ত্মবিশ্বা’স-যেসব পুরুষের মধ্যে নেতৃত্ব এবং আ’ত্মবিশ্বা’স প্রবল থাকে, তাদের প্রতি অধিকাংশ নারীই আকৃষ্ট হয়ে থাকেন।

কেননা এ ধরনের পুরুষ যথেষ্ট দায়িত্ববান হয়ে থাকেন। তাছাড়া, নেতৃত্দানের ক্ষমতা পুরুষের মানসিক পরিপক্বতার ই’ঙ্গিতও বহন করে।

সর্বোপরি যেসব নিজেদের ওপর বিশ্বা’স রেখে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা সাজিয়ে নিজের সি’দ্ধান্তে অটল থাকতে পারেন, তাদের প্রতিই নারীরা বেশি টান অনুভব করে থাকেন।

আবেগীয় অনুভূ’তি প্রকাশ
জন্মগতভাবেই নারীদের তুলনায় পুরুষ কিছুটা চাপা স্বভাবের অধিকারী। এ কারণে নিজেদের অনুভূ’তি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষরা বরবারই একটু পিছিয়ে। সময়ের স’ঙ্গে স’ঙ্গে অনেক কিছু পরিবর্তিত হলেও পুরুষরা এই বলয় থেকে এখনও বেরোতে পারেননি। তবে মনে রাখতে হবে, বোঝাপড়া এবং যোগসূত্রতা প্রতিটি সম্পর্কের চাবিকাঠি। আর এর জন্য নিজেকে প্রকাশের বিকল্প নেই। তাই যেসব পুরুষ নিজের অনুভূ’তি প্রকাশে সপ্রতিভ, তাদের প্রতিই নারীরা তুলনামূলক বেশি অনুর’ক্ত থাকেন।

হাস্যরসাত্মক মনোভাব
মানসিক পরিপক্বতা দিয়ে সম্পর্ককে সবসময় গু’রুগম্ভীরভাবে চালিয়ে গেলে একসময় তাতে একঘেয়েমি চলে আসে। তাই সম্পর্কে চাঙা রাখার অন্যতম বড় পূর্বশর্ত হলো সেটিকে আনন্দদায়ক রাখা। এক্ষেত্রে রসিকতা এবং খু’নসুটি হয়ে উঠতে পারে বড় মাধ্যম। তাই ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি যেসব পুরুষের মধ্যে হাস্যরসের যাব’তীয় গু’ণাবলী রয়েছে, তাদের প্রতিই নারীরা বেশি আকৃষ্ট হয়ে থাকেন।

স্বাস্থ্য সচেতনতা
নারীকে মুগ্ধ করার জিম করা পেটানো শরীর কিংবা সিক্স প্যাক অ্যাব’স থাকা বাঞ্ছনীয় কোনো বি’ষয় না। এর চেয়ে নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন পুরুষরাই রয়েছেন নারীদের পছন্দের তালিকায়। বলা হয়ে থাকে, স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। তাই নির্ধারিত সময়সূচি মেনে সব কাজ করার পাশাপাশি যেসব পুরুষ নিজের সুস্থতার জন্য যাব’তীয় বদঅভ্যাস থেকে দূরে থাকেন, তাদের প্রতি নারীদের টান তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।

বিনয়
স’ঙ্গী হিসেবে পুরুষের মধ্যে একজন নারী যেসব বৈশিষ্ট্য খুঁজেন, তার মধ্যে অন্যতম হলো বিনয়। একজন বিনয়ী পুরুষ ব্যক্তিত্বের অধিকারী হয়ে থাকেন। পাশাপাশি জীবন নিয়ে তার ধারণাও থাকে ভিন্ন ধরনের। সেই স’ঙ্গে মানুষকেও তিনি যথাযথ সম্মান দিয়ে থাকেন। আর নারীরও যেকোনো পুরুষের কাছে সম্মানের আসনে থাকার প্রত্যাশা করেন। তাই বিনয়ী পুরুষের প্রতি নারীদের আকর্ষণ স্বাভাবিকভাবেই বেশি।

ভুল স্বীকারের মানসিকতা
মানুষমাত্রই আমা’দের সবার ভুল হয়ে থাকে। আমর’া কেউই ভুলত্রুটির ঊর্ধ্বে না। তবে অনেকেই সহজে নিজের ভুল স্বীকার করতে চান না। এ ধরনের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ পুরুষদের নারীরা বরাবরই উপেক্ষা করে থাকেন। পরিবর্তে স্বচ্ছতা এবং সহজেই ভুল স্বীকার করে সংশোধনের মানসিকতা সম্পন্ন পুরুষদেরই স’ঙ্গী হিসেবে নারীরা প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।

পোশাক সচেতনতা
পোশাক জ্ঞান এবং মানানসই পোশাক বেছে নেওয়ার ক্ষমতা না থাকলেই কোনো নারীই একজন পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট ’হতে চাইবেন না। কারণ নারীরা বরাবরই স’ঙ্গী হিসেবে এমন পুরুষকে চান, একইস’ঙ্গে সুদর্শন হওয়ার পাশাপাশি যার মধ্যে পোশাক এবং ফ্যাশন সচেতনতা রয়েছে।

রোমান্টিকতা
স’ঙ্গী হিসেবে রোমান্টিক পুরুষরাই নারীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকেন। কারণ একজন রোমান্টিক পুরুষ তার স’ঙ্গীকে সম্মানের স’ঙ্গে রাণীর মতো করে রাখতে পারেন। স’ঙ্গীকে প্রতিনিয়ত সময় দেওয়া, তার যত্ন নেওয়া, বিশেষ বিশেষ দিনে স’ঙ্গীকে উপহার দিয়ে সেটিকে উপভোগ্য আর স্মর’ণীয় করে রাখা এবং প্রেমময় বার্তালাপের মাধ্যমে প্রশংসা করা পুরুষদেরই নারীরা স’ঙ্গী হিসেবে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।