free hit counter

কী খাওয়ালে শি’শুর মে’ধার বিকাশ হবে

সন্তান হওয়ার পরে অনেক অ’ভিভাবক চিন্তায় থাকেন, কীভাবে বাচ্চার মেধার বিকাশ করা যায়। আজ আমর’া একজন পুষ্টিবিদের কাছ থেকে শিশুর মেধা বিকাশে পুষ্টিকর খাবারের ভূমিকা সম্পর্কে জানব।

গাজীপুর কথার নিয়মিত স্বাস্থ্যবি’ষয়ক অনুষ্ঠান স্বাস্থ্য প্রতিদিনের একটি পর্বে শিশুর মেধা বিকাশে পুষ্টিকর খাবারের ভূমিকা সম্পর্কে বলেছেন স্কয়ার হসপিটাল লিমিটেডের পুষ্টিবিদ আয়শা সিদ্দিকা।

পুষ্টিবিদ আয়শা সিদ্দিকা বলেন, কিছু কিছু খাবার এ ক্ষেত্রে সাহায্য করে থাকে। যেমন ওটমিল, যেটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হাই ফাইবার

সমৃ’’দ্ধ। আয়রনও রয়েছে। আয়রন বাচ্চাকে যথেষ্ট সজাগ থাকতে সাহায্য করে। সকালের নাশতায় যদি বাচ্চাকে ওটমিল খাওয়ানো হয়, তাহলে এটি যথেষ্ট পুষ্টিগু’ণ সমৃ’’দ্ধ খাবার।

আয়শা সিদ্দিকা বলেন, মাছে প্রচুর ফ্যাটি অ্যাসিড, ওমেগা থ্রি—যেটা স্মৃ’তিশক্তি তৈরি করতে সাহায্য করে। বাচ্চাদের ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট তৈরি করে এবং যথেষ্ট স্মৃ’তিশক্তি ধরে রাখতে পারে। আরেকটি গু’রুত্বপূর্ণ জিনিস রয়েছে মাছে, যাকে বলা হয় ডিএইচএ। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি কাজ করে ডিএইচএ। আমর’া সা’প্লিমেন্ট হিসেবে ডিএইচএ দিয়ে থাকি। কিন্তু আমর’া যদি প্রচুর মাছ খেয়ে থাকি, প্রতিদিনের খাবারে যদি আমর’া মাছের ভাগ রেখে থাকি, তাহলে ডিএইচএর অভাব পূরণ করা যায়।

পুষ্টিবিদ আয়শা সিদ্দিকা বলেন, আরেকটি প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম সমৃ’’দ্ধ খাবার হচ্ছে দই। প্রতিদিন যদি একবেলা অন্তত সন্তানকে দই খাওয়ানো হয়, তাহলে যথেষ্ট ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হয়। ক্যালসিয়াম সমৃ’’দ্ধ খাবার বাচ্চাকে প্রাণবন্ত রাখে। বাদাম একটি অন্যতম খাবার। বিকেলে নাশতায় আমর’া বাচ্চাদের বিভিন্ন ডেজার্ট আইটেমে বাদাম দিতে পারি। এতে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং এটিও বাচ্চাদের ব্রেইন ডেভেলপমেন্টের জন্য সাহায্য করে। জন্মের পর থেকে প্রথম পাঁচ বছর পর্যন্ত আমর’া যদি বাচ্চাদের প্রোটিন সমৃ’’দ্ধ, ক্যালসিয়াম সমৃ’’দ্ধ, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃ’’দ্ধ খাবার প্রতিদিনের মেন্যুতে রাখি, তাহলে বাচ্চাদের মেধা বিকাশে সহযোগিতা হয়। শুধু মেধা বিকাশ করলেই চলবে না, স্মৃ’তিশক্তি যাতে ধরে রাখতে পারে, সে দিকেও খেয়াল রাখতে হবে।