free hit counter

কু’সুম গরম পানি পান করার স্বাস্থ্য উপকারিতা’

চিকিৎসকরা বলেন, শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সকালে ঘু’ম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস গরম পানি পান করুন। সকালে এই গরম

পানির স’ঙ্গে মধু বা লেবু মিশিয়ে পান করতে পারেন। প্রতিদিন রাতে খাওয়ার পর ঘু’মাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করার পরামর’্শও দেন চিকিৎসকরা।

গবেষকরা জানান, দিনে ১ থেকে ২ গ্লাস গরম পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কুসুম গরম পানি হজম ক্ষমতা ও র’ক্ত চলাচলকে উন্নত

করে, ওজন কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। জেনে নিন কুসুস গরম পানি পান করার স্বাস্থ্য উপকারিতা- >> গরম পানি শরীরের

প্রতিটি স্নায়ুকে সচল রাখে ও শরীরের বিভিন্ন ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। মাথা যন্ত্রণা, গিঁটে গিঁটে ব্যথা ও নারীদের মাসিক ঋতুচক্রের খিঁচুনিতে আরা’ম’দায়ক গরম পানি।

>> কুসুম গরম পানি ঘাম ও মূত্রের মধ্য দিয়ে শরীরের ক্ষ’তিকর টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়ক। >> এই পানি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। রাত্রে ঘু’মানোর আগে এবং সকালে ঘু’ম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করুন।

>> এই পানি হজমশক্তি বৃ’দ্ধি করে। পাকস্থলী ও অন্ত্রের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় হজম অ’ঙ্গগু’লোকে আরও ভালোভাবে হাইড্রেটেড করে। ফলে বর্জ্য বস্তু শরীর থেকে নিষ্কাশিত হয় এবং হজম ক্ষমতা বৃ’দ্ধি পায়। রাতে ঘু’মানোর আগে এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করুন।

>> র’ক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখতে গরম পানি। শরীরের ব্লাড ভেসেলসকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। ফলে প্রতিটি নার্ভ সচল থাকে, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

>> অনিয়মিত পিরিয়ড ও ব্যথা থেকে মুক্তি দেয় কুসুম গরম পানি। পিরিয়ডের সময় র’ক্ত জমাট বেঁধে তা বেরোতে না পারলে ব্যথা ’হতে থাকে। এই সময় গরম পানি পান করলে জমাট বাঁধা র’ক্ত ভেঙে গিয়ে ব্লাড ফ্লো সঠিকভাবে হয়, যা ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়।

>> অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে কুসুম গরম পানি। শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরায় ও খিদে কমায়। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে লেবু বা মধু এক গ্লাস গরম পানি মিশিয়ে পান করতে পারেন। >>সর্দি ও নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া থেকে মুক্তি পেতে গরম পানি পান করুন। >> গরম পানি ত্বককে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। আর ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।