free hit counter

উ’দ্দাম যৌ’নতায় ‘কিডনির’ পাথর সহজে দে’হের বাইরে বেরিয়ে যায়? কী বলছে নয়া গ’বেষণা?

‘জার্নাল অব সে’ক্সুয়াল মেডিসিন’ নামের একটি বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশিত ইন্দোনেশিয়ার চিকিৎসকদের একটি গবেষণাপত্রে দাবি করা হয়েছে, শারীরিক মিলন ও স্বমেহনে সহজে বেরিয়ে

যায় কিডনির পাথর। কিডনির একটি বড় সমস্যা ‘রেনাল ক্যালকুলি’। সহজ ভাষায় একেই কিডনির পাথর বলে। পাথর বড় হয়ে গেলে গু’রুতর

সমস্যা দেখা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে অ’স্ত্রোপচার করা ছাড়া উপায় থাকে না। কিন্তু পাথর যদি খুব ছোট হয় তবে চিকিৎসকরা পরামর’্শ দেন

প্রচুর পরিমাণ জল পান করতে। যাতে মূত্রের মধ্যে দিয়ে দে’হের বাইরে বেরিয়ে যায় সেই পাথর। তবে এ বার এক দল চিকিৎসক দাবি

করলেন, এই ধরনের ক্ষুদ্রাকৃতি পাথর বার করার আরও একটি উপায় আছে— যৌ’নতা! ‘জার্নাল অব সে’ক্সুয়াল মেডিসিন’ নামের একটি বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশিত ইন্দোনেশিয়ার চিকিৎসকদের

একটি গবেষণাপত্রে দাবি করা হয়েছে, শারীরিক মিলন কিংবা স্বমেহনে সহজে বেরিয়ে যেতে পারে কিডনির পাথর। তবে তার জন্য স’প্তাহে

অন্তত তিন থেকে চার বার স’ঙ্গম কিংবা স্বমেহন করতে হবে রোগীকে, দাবি চিকিৎসকদের। যৌ’ন মিলনে জনন অ’ঙ্গ ও সন্নিহিত অঞ্চলের পেশি শিথিল হয় বলেই পাথর নির্গমন অ’পেক্ষাকৃত সহজ হয় বলে মত চিকিৎসকদের।

যৌ’নতা ও কিডনির পাথরের মধ্যে কোনও সম্পর্ক আছে কি না, তা জানতে ইন্দোনেশিয়ার এয়ারলা’ঙ্গা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিডনির চিকিৎসকদের একটি দল এই গবেষণাটি চালান। ৪০৬ জন অংশ নেন এই গবেষণায়। চিকিৎসকদের দাবি, যাঁরা স’প্তাহে তিন থেকে চার বার স্বমেহন করেছেন কিংবা যৌ’ন মিলনে লি’প্ত হয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে কিডনির পাথর নির্গমনের হার ৫.৭ শতাংশ বেশি। পাশাপাশি পাথর নির্গমনের বেগও দ্রুততর।

নিয়মিত যৌ’ন মিলনে লি’প্ত হওয়া ব্যক্তিদের ৬২ শতাংশই জানিয়েছেন, মিলনের ফলে অনেকটাই কমেছে কিডনির পাথর থেকে তৈরি হওয়া ব্যথার সমস্যাও। তবে গোটা বি’ষয়টি নিয়ে এখনও আরও গবেষণা দরকার বলেই মনে করছেন চিকিৎসকরা। পাশাপাশি তাঁদের সতর্কবার্তা, এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে আগে চিকিৎসকের পরামর’্শ না নিয়ে কোনও কাজ করা অনুচিত।