free hit counter

কা’রেন্টে শক খেলে প্রাথমিকভাবে করণীয়

>> ইলেকট্রিক শক খেলে আতঙ্কিত হয়ে পড়বেন না। পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন হওয়ার স’ঙ্গে স’ঙ্গে একটি গভীর শ্বা’স নিন এবং পরিস্থিতি মোকাবেলা করুন।

>>> কেউ কারেন্টে শক হলে প্রথমেই তার গায়ে হাত দিতে যাব’েন না। তাকে তো বাঁচাতে পারবেনই না, বরং আপনিও একই স’ঙ্গে বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট হবেন।

>>> প্রথমেই কারেন্টের মেইন সুইচ বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টা করুন। যদি এতে কাজ না হয় তাহলে শুকনো খবরের কাগজ, উলের কাপড়, শুকনো কাঠের টুকরা অথবা রাবার দিয়ে ইলেকট্রিক শক খাওয়া ব্যক্তিকে থেকে ধাক্কা দিয়ে ইলেকট্রিক শকের উৎস থেকে আলাদা করতে হবে। যদি কিছুতেই কাজ না হয়, তাহলে দ্রুত বৈদ্যুতিক অফিসে খবর দিন।

>>> শক খাওয়া ব্যক্তির শ্বা’স বন্ধ হয়ে গেলে দ্রুত তাকে কৃত্রিম শ্বা’স-প্রশ্বা’স দেয়ার ব্যবস্থা করুন। এমন জরুরি মুহূর্তে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার ওপর আ’ক্রা’ন্ত ব্যক্তির বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নির্ভর করে। একই স’ঙ্গে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থাও করুন।

>>> বিদ্যুৎ থেকে মুক্তি পেলেও অনেক সময় ব্যক্তির শ্বা’সপ্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। তেমন হলে বুকের উপর জোরে চাপ দিয়ে হৃদযন্ত্র চালু করুন।এছাড়া রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করুন।

>>> যদি শক খাবার পরও শ্বা’স-প্রশ্বা’স স্বাভাবিক থাকে তবে খুব বেশি ভয়ের কিছু নেই। রোগীকে শুয়ে থাকতে বলুন এবং পরীক্ষা করার জন্য ডাক্তারকে খবর দিন।

সচেতন থাকুন-ইলেকট্রিক সামগ্রী অনেক সময় ভেতর নষ্ট বা ডেমেজড হয়ে শর্ট সার্কিট হয়ে বিপজ্জনক ’হতে পারে, যার ফলে দু’র্ঘটনার শিকার অনেকেই হন। এই ক্ষেত্রে নিয়মিত ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি একজন দক্ষ মেকানিক দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে রাখাটা জরুরি। এ ছাড়াও হুট করে কখন ইলেকট্রিক যন্ত্র নষ্ট হয়ে যায় তা বলা কঠিন।

বিদ্যুতের কাজ করার সময় মেন সুইচ বন্ধ করে নিন আগেই। পায়ে রাবারের জুতো দিয়ে বিদ্যুতের কাজ সারুন, খালি পায়ে এমন কাজে না হাত দেওয়াই বু’দ্ধিমানের কাজ। এছাড়া কোনোভাবেই পানি হাতে বাড়ির বৈদ্যুতিক সুইচে হাত দেবেন না।