free hit counter

শ্বা’সনালিতে খাবার আ’টকে হতে পারে মৃত্যুও, জানুন করণীয়

শ্বা’সনালিতে খাবার আট’কে যাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই রোগীর মৃ’ত্যু ’হতে পারে। এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটে। আর বিপদের মুহূর্তে রোগীর আশপাশের মানুষও বিচলিত হয়ে পড়েন, ফলে

তখন ঠিক কী করণীয় তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। আর এ কারণে ওই রোগীকে বাঁচানোও সম্ভব হয় না। তবে কারও যদি শ্বা’সনালিতে

খাবার আট’কে যায় ও তাৎক্ষণিক তাকে পেছন থেকে ধরে দুহাত দিয়ে সজোরে বুকে চাপ দেওয়া যায় তাহলে হয়তো ওই ব্যক্তি বেঁচে যেতে পারেন।

আসলে শ্বা’সনালিতে কিছু আট’কে গেলে ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। যাকে বলা হয় এস্পিক্সিয়া। শ্বা’সনালি একেবারে বন্ধ হয়ে

গেলে হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্ক অক্সিজেনের অভাবে কাজ বন্ধ করে দেয়। এতে একজন মানুষের অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে ওঠে। যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় এনেক্সিয়া। খাওয়ার সময় গলায় খাবার আট’কে যাওয়ার বি’ষয়টিকে হেলাফেলায় নেওয়া উচিত নয়। এক কৌশল জানা থাকলে আপনিও এমন ঘটনায় কাউকে বাঁচাতে পারবেন।

খাবার হোক বা অন্য কিছু কারও শ্বা’সনালিতে আট’কে গেলে প্রথমেই তার শ্বা’সকষ্ট শুরু হবে। কাশি, বুকের মধ্যে হাওয়ার শব্দ, বমি বমি ভাব, কথা বলতে না পারা, ঠোঁট নীল ও জ্ঞান হারানোর মতো সমস্যা ’হতে পারে। ৭-২ মিনিটের মধ্যে চিকিৎসা শুরু না করলে রোগীকে বাঁচানো মুশকিল ’হতে পারে।

যে উপায়ে বিপদ থেকে রক্ষা পাবেন-মা’র্কিন থোরাসিক সার্জন হে’নরি জে হেইমলিচ ১৯৭৪ সালে গলায় খাবার আট’কে গেলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সম্পর্কে একটি উপায় জানিয়েছেন। যে চিকিৎসা প’দ্ধতির সাহায্যে মানুষকে মৃ’ত্যুর দুয়ার থেকে রক্ষা করা যায়। ওই প’দ্ধতিটির নাম হলো ‘হেইমলিচ ম্যানিউভার’।

খাবার আট’কে গেলে পিঠে চাপড় মা’রলে তেমন কোনো কাজ হয় না। এর চেয়ে হেইমলিচ ম্যানিউভার প’দ্ধতিতে রোগীকে বিপদ থেকে বাঁচানো সম্ভব। এজন্য রোগীকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরুন।

তার পেট ও পাঁজরের সংযোগস্থলে দুহাতে ধরে সজোরে ধাক্কা দিন। এতে আট’কানো খাবার মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসবে। এভাবে অনেকের প্রাণ বাঁচানো যায়।

শ্বা’সনালিতে খাবার আট’কে গেলে অক্সিজেন চলাচল কমে যায়। এ সময় দ্রুত আট’কে যাওয়া খাবারের টুকরো বের না করলে রোগীকে বাঁচানো যাব’ে না।

কোনো মানুষকে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে দেখলে হেইমলিচ ম্যানেউভারের সাহায্যে তাকে সুস্থ করে তোলা যায়।

তবে এক বছরের শিশু বা গ’র্ভবতী নারীর ওপর কখনোই হেইমলিচ ম্যানিউভার প’দ্ধতি ব্যবহার করা যাব’ে না। প্রয়োজনে দ্রুত তাদের হাসপাতালে নিতে হবে।