কতটা গ্যা’স বেঁ’চে আছে সিলি’ন্ডা’রে ? জেনে নিন এই সহ’জ পদ্ধ’তিতে

রান্নাবান্নার জন্য এখন প্রত্যেকের ঘরেই গ্যা’স আছে। গ্যাসের সাহায্যে তাড়াতাড়ি রান্না হয়ে যায় খুব সহ’জেই এবং কাঠ-কয়লা জাল দেওয়ার মতো ঝা’মেলা না থাকায় গ্যা’সে রান্না করতেই পছন্দ

করেন অনেকে। ভারতবর্ষের অনেক গ্রামেও এখন গ্যাস পৌঁ’ছে গেছে। তবে গ্যা’সে রান্নার একটা মুশকিল হলো, সিলিন্ডারে কতটা পরিমান গ্যা’স আছে তা আগে থেকে বো’ঝা ভী’ষন ভাবে মুশ’কি’ল।

এর ফ’লে হয়তো আপনার বাড়িতে কোন অনু’ষ্ঠান আছে আর সেদিনই গ্যা’স ফুরিয়ে গেল। এর ফ’লে চরমতম হয়রানির স’ম্মু’খীন হবেন

আপনি। অনেকটা অনুমানের ওপর ভ’রসা করেই গ্যাসে রান্না করতে হয় এবং গ্যা’সের মে’য়াদ বো’ঝা যায়। গ্যা’স ফু’রিয়ে গেলে কিন্তু স’ঙ্গে স’ঙ্গে নতুন সিলেন্ডার পাওয়া স’ম্ভব নয়।

কিছুদিন অ’পেক্ষা করতে হয়। তবে যাদের দুটো সিলেন্ডার নেওয়া তাদের এই নিয়ে ঝা’মে’লায় পড়তে হয়না। কিন্তু, যাদের একটাই সি’লেন্ডা’র তাদের এই সম’স্যার সমা’ধান নিয়ে এসেছেন মধ্যপ্রদেশের একটি সায়েন্স কলেজের অধ্যাপক বিজেন্দ্র রায়। গ্যাস কতটা আছে তা বোঝার জন্য প্রথমে ভিজে কাপড় দিয়ে সিলিন্ডারটিকে ভাল করে মু’ছতে হবে।

এমন ভাবে মোছা উচিত, যাতে সিলি’ন্ডা’রের গায়ে কোনও ধু’লোর আ’স্তরণ থাকলেও তা উঠে যায়। মোছা শেষ হলে দেখা যাব’ে সি’লি’ন্ডার শুকোতে শুরু করেছে। দু’-তিন মিনিট পরে খেয়াল করলে দেখা যাব’ে সিলি’ন্ডা’রের কিছুটা অংশ শুকিয়েছে, বাকি অংশ ভিজে রয়েছে। সেই অংশ শু’কোতে একটু সময় লাগছে।

প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, যতটা অংশ ভিজে থাকবে সেই অংশেই গ্যা’স রয়েছে বলে ধরে নিতে হবে। অধ্যাপক রায় জানিয়েছেন, যেখানে তরল কিছু থাকে, সেখানকার তাপ’মা’ত্রা খা’লি জায়গার তু’ল’নায় কম হয়। ফলে সিলি’ন্ডা’রের যে অংশটুকুতে এলপিজি রয়েছে, সেই অংশটি শুকোতেও সময় বেশি লাগে।